অসুস্থ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে ভিড়

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি আছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার ভোরে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

এদিকে, অসুস্থ ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে ও তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে ভিড় করছেন নেতাকর্মীরা।

বিএসএমএমইউ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও এসেছেন তাকে দেখতে।

ইতিমধ্যে তাকে দেখতে এসেছেন হাসানুল হক ইনু, সালমান ফজলুর রহমান, আবদুস সোবহান গোলাপ, এনামুল হক শামীম, ফরিদুন্নাহার লাইলীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী।

প্রিয় নেতাকে দেখতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের সামনে ভিড় করছেন তারা।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া নেতাকর্মীদের ভিড় করতে নিষেধ করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি। আপনারা অযথা ভিড় করে আমাদের চিকিৎসা কাজ ব্যাহত করবেন না।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদেরের হার্টের চারটি চেম্বারই ব্লক। তবে একটিতে আমেরিকান সেনারজি কোম্পানির একটি রিং আপাতত পরানো হয়েছে। কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে। ওপেন হার্ট সার্জারির বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড বসেছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার বিষয়ে সার্বক্ষণিকভাবে যোগাযোগ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএসএমএমইউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার পর ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুর নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।

এর আগে সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছের টিপু পরিবর্তন ডটকমকে জানান, ফজরের নামাজ শেষে হঠাৎ করেই শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার শরীর চেকআপ করেন। পরামর্শ দেন দ্রুত এনজিওগ্রাম করার। এরপর তার এনজিওগ্রাম করা হয়।

এ ছাড়াও দলীয় সাধারণ সম্পাদককে দেখতে হাসপাতালে আসেন আহমদ হোসেন, অসীম কুমার উকিল, এইচ টি ইমাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাউছার, সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ নাথ, গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক মন্ত্রী অ্যাড কামরুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।