ঈদে নৌরুটে দিবা-রাত্রি স্পেশাল সার্ভিসে নামছে ‘দেশান্তর’

ঈদ উৎসবে যাত্রী পরিবহনে প্রত্যয় নিয়ে বরিশাল-ঢাকা নৌপথে যুক্ত হচ্ছে ‘দেশান্তর’নামে আরও একটি বিলাসবহুল নতুন লঞ্চ। যাত্রীদের সেবায় ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের মধ্যেদিয়ে এই লঞ্চের যাত্রা শুরু হবে।বিলাসবহুল এ লঞ্চটি রাত্রি ও দিবা সার্ভিসে দক্ষিণাঞ্চলের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বরিশাল-ঢাকা নৌপথে চলাচল করবে। তাহসিন শিপিং লাইন্সের নৌযান ‘দেশান্তর’এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নুরুল আম্বিয়া বাবু বলেন, ১৭৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ ৩০ ফুটের এ লঞ্চটি ৮৫০ অশ্বশক্তির উইচাই মেরিণ ডিজেল ইঞ্জিনে চলবে। দ্রুতগামী তিন তলা বিশিষ্ট এ লঞ্চটির নিচতলায় রয়েছে ননএসি ১০২টি চেয়ার, দ্বিতীয় তলায় রয়েছে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ১৯৪টি চেয়ার এবং তৃতীয় তলায় রয়েছে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ৬২টি চেয়ার। শুধু বিলাসবহুল চেয়ারই নয়, রয়েছে কেবিনও। এর মধ্যে নিচতলায় চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে চারশ টাকা, দ্বিতীয় তলায় চেয়ারের ভাড়া ছয়শ টাকা এবং তৃতীয় তলায় চেয়ারে সাতশ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের এ সদস্য আরও  জানান, এ লঞ্চে মোট ১৪টি এসি কেবিন রয়েছে। এর মধ্যে সবগুলোই শৌচাগার সংযুক্ত রয়েছে। ভিআইপি ডিল্যাক্স রয়েছে দুইটি, ফ্যামিলি দুইটি, ডাবল কেবিন দুইটি এবং আটটি সিঙ্গেল কেবিন রয়েছে। এরমধ্যে ভিআইপি কেবিনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে চার হাজার টাকা, ফ্যামিলি কেবিনের দুই হাজার চারশ টাকা, ডাবল কেবিন দুই হাজার আটশ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। নুরুল আম্বিয়া বাবু বলেন, শুধু তাই নয় কেবিন বা চেয়ারবিহীন যাত্রীদের জন্যও রয়েছে সুব্যবস্থা। বিলাসবহুল এ লঞ্চের তিনটি তলায়ই থাকছে ডেকের ব্যবস্থা। পাশাপাশি সব যাত্রীদের জন্য লঞ্চে ক্যান্টিনের ব্যবস্থা তো রয়েছেই। এ লঞ্চ বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে রয়েছে। বাহারি সাজসজ্জা দিয়ে সাজানো এ লঞ্চটি ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে নদীতে চালানো হয়েছে। ২৩ তারিখ শুক্রবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা সদরঘাট থেকে সকাল সাড়ে ৯টায় বরিশালের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। আবার বরিশাল থেকে ওই দির রাত ১০টায় ছেড়ে যাবে ঢাকার উদ্দেশে।”