উজিরপুরে ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী ৬ মাসের অন্তসত্ত্বা ॥ ধর্ষক গ্রেফতার

বরিশালের উজিরপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষনের ঘটনায় ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী ৬ মাসের অন্তসত্ত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় বুধবার ঐ নাবালিকা ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ধর্ষককে আসামী করে উজিরপুর মডেল থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ধর্ষক আগুন বালীকে (২১) বুধবার বিকালে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করলে তাকে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরন করে আদালত। আগুন বালী উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের ইদ্রিছ বালীর ছেলে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়াউল আহসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, অভিযুক্ত আগুন বালী একই বাড়ীর ফজলুল হক বালীর মেয়ে কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণী পড়–য়া ছাত্রীকে ফুসলিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে অশ্লিল ভিডিও পাঠায় ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। এতে ছাত্রী রাজী না হওয়ায় আগুন বালী তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। ৭ মাস পূর্বে ছাত্রীর পিতা-মাতা বাড়ীতে না থাকার সুযোগে তাদের বসত ঘরে ঢুকে জোড়পূর্বক ধর্ষন করে। এরপর ছাত্রী তাদের বিয়ের কথা বললেই আগুন তালবাহানা শুরু করে এবং ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য ছাত্রীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এদিকে ছাত্রীর শরীরের অবস্থার অবনতি দেখে মা আকলিমা বিষয়টি জানার চেষ্টা করলে ছাত্রী ঐ লম্পট যুবকের সকল অপকর্ম মায়ের কাছে স্বীকার করে। কোন উপায়ন্তু না পেয়ে ছাত্রীর মা আকলিমা বেগম বাদী হয়ে বুধবার উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। উজিরপুর মডেল থানার এসআই মাহাবুব হোসেন বিকালে অভিযুক্ত ধর্ষক আগুন বালীকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। উজিরপুর মডেল থানার ওসি মো. জিয়াউল আহসান জানান, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধর্ষককে গ্রেফতার করে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ছাত্রীকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন।