কীর্তণখোলা নদীর আকস্মিক ভাঙ্গন

মুশফিক সৌরভ ॥ নগরীর সংলগ্ন কীর্তণখোলা নদীর পূর্বপ্রান্ত চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকায় শুক্রবার রাতে আকস্মিক ভাঙ্গনে বিরাট এলাকা বিলিন হয়ে গেছে।  শুক্রবার সন্ধ্যা রাত ৭ থেকে এ ভাঙ্গন শুরু হয়। রাত ৯ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একটি বসতবাড়িসহ কমপক্ষে ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ।

ভাঙ্গনের মুখে চরকাউয়া খেয়াঘাট ও ফেরীঘাট সংলগ্ন বাস টার্মিনাল থেকে সকল ধরনের যানবহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নদীর তীর সংলগ্ন প্রায় ৩’শ ফুট এলাকা পুরোপুরি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।  

ফেরীঘাট এলাকার বাসিন্দা মোঃ সাদিক জানান, বিলিন হয়ে যাওয়া ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্টানের মধ্যে মুদি-মনোহারি, ঔষধের ফার্মেসী, কনফেকশনারী, তেলের দোকান , পার্টসের দোকান ও খাবার হোটেল রয়েছে।

ভাঙ্গনের তীব্রতা  শুরু হওয়ার পর দোকানীরা  স্থানীয়দের সহযোগীতায় দোকানের মালামালে কিছু অংশ সরিয়ে নিতে পেরেছেন। তবে স্থাপনা পুরোপুরি নদীতে ডুবে গেছে।

খেয়াঘাট ঘিষে ফেরীর পন্টুনের উত্তর পাশ থেকে ভাঙ্গন শুরু হলেও ফেরীঘাট ও পন্টুনের কোন ক্ষয়ক্ষতি না হয়নি বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে বাসটার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার কারনে আতংক দেখা দেওয়ার পাশাপাশি উৎসক জনতা সেখানে ভির করায় যান বাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ফেরী চলাচলও বন্ধ। ফেরীঘাটের সড়কে বিক্ষুদ্ধ জনতা অবস্থান নিয়ে যান-বাহন চলাচল বাধা দিচ্ছে বলে ফেরীর ষ্টাফরা জানান।  

চর কাউয়া  ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ছবি জানিয়েছেন, ভাঙ্গন শুরু হওয়ার পরই তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছেন।