ঠোটের যত্ন

রেশমা ইয়াসমিন॥ ত্বক আর চুলের মতো আমাদের ঠোঁটেরও বাড়তি যত্নের প্রয়োজন আছে। ঠোঁটের ত্বক খুব নরম হওয়ায় এর যত্ন একটু বিশেষভাবে নিতে হবে।
আমাদের মধ্যে অনেকেরই ঠোঁটের রঙ মুখের চেয়ে তুলনামূলককালো হয়ে থাকে। আবার অনেকের ঠোঁট খুব রুক্ষ হয়ে থাকে। ঠিকভাবে যত্ন
নিতে পারলে এসব সমস্যা অনেকটাই দূর করা সম্ভব।… নরম গোলাপি ঠোঁট পেতে হলে অল্প একটু চিনি গ্লিসারিনের সাথে মিলিয়ে আলতোভাবে ঠোঁট  ম্যাসাজ করতে হবে।
এটি ঠোঁটের মৃত কোষ ঝরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।এরপর ময়েশ্চারাইজারযুক্ত ভেসলিন ব্যবহার করতে হবে। অনেকের ঠোঁটই একটু পরপর শুকিয়ে যায় এবং ঠোঁটের ওপরভাগ
খড়খড়ে  হয়ে চামড়া উঠে যায়। এসমস্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানিশূন্যতা অনেক সময় শুষ্ক ঠোঁটের কারন। আবার শুষ্ক ঠোঁট অনেক সময়
শরীরে ভিটামিনের ঘাটতিও নির্দেশ করে। বিশেষ করে ভিটামিন-সির অভাবে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার অর্থাৎ ফলমূল ও শাকসব্জি বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।ফাষ্ট ফুড আর গরম চা বর্জন করুন। আর ঠোঁটে সব সময় ময়েশ্চারাইজারযুক্ত ভেসলিন দিয়ে রাখুন। অনেকেরই জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর অভ্যাস থাকে। এটিও ঠোঁটের শুষ্কতা বাড়িয়ে দেয়।
কাজেই এ বদভ্যাস থাকলে দূর করে ফেলুন। যারা লিপস্টিক ব্যবহার করেন শুকনো ঠোঁট থেকে রক্ষা পেতে হলে ম্যাট নয় বরং তৈলাক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করুন। কোনো ধরনের কেমিক্যালই আসলে ত্বকের জন্য ভালো নয়। তাই বাইরে থেকে ফিরে প্রথমে টিস্যু পেপারে ভেসলিন লাগিয়ে আলতোভাবে ঠোঁটের লিপস্টিক তুলে ফেলুন। ঘুমানোর আগে অবশ্যই ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত ভেসলিন লাগাবেন। ভুলেও লিপস্টিক দিয়ে ঘুমাতে যাবেন না। এটি ক্ষতিকারক হতে পারে আপনার ঠোঁটের জন্য।