ধান সংগ্রহ কার্যক্রম কৃষকরা হয়রানী হলে কঠোর ব্যবস্থা বরিশালে খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি

খাদ্য মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, এই প্রথম অ্যাপসের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকের মাধ্যমে আমন ধান সংগ্রহ করছে কৃষক। এতে করে প্রান্তিক চাষীরা লাভবান হচ্ছে। তবে প্রথমবারের এ সংগ্রহ চলাকালে যে সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তিনি কৃষি কর্মকর্তা ও খাদ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন কৃষকরা হয়রানীর শিকার হলে আগামীতে কোনে ভুল মেনে নেয়া হবে না। মন্ত্রী বুধবার দুপুরে আমন সংগ্রহ ২০১৯-২০ উপলক্ষে বরিশাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। খাদ্য মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী কৃষি খাতের উন্নয়নের ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করা ধান সঠিক ভাবে গুদামজাত করে বিশ^ বাজারে বিক্রির চিন্তা করছে সরকার। মতবিনিময় সভায় আমন ধান সংগ্রহে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে খাদ্য মন্ত্রী বলেন, কৃষি বিভাগ ২০১৪ সালের কৃষি কার্ড অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রীকে আগামী বোরো মৌসুমে সঠিক তালিকা প্রস্তুত করার জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের এবং কৃষকদের কোনো প্রকার হয়রানী না করে খাদ্য কর্মকর্তদের নির্দেশ দেন। এজন্য বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খাদ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. মোহাম্মৎ নাজমানারা খানুম, বরিশাল জেলা প্রশাসক এস,এম অজিয়র রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হরিদাশ অধিকারী, বিশিষ্ট সাংবাদিক অ্যাডভোকেট এস.এম ইকবাল, বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী আবুল কালাম আজাদ, বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কৃষি অফিসার, খাদ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাইচ মিল মালিক, কৃষক ও সাংবাদিক।