বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে ‘বরিশাল ম্যারাথন’

‘খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল’ শ্লোগানকে সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে নগরীতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল ম্যারাথন-২০২০। শনিবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিজ্ঞান সংগঠন কসমিক কালচারের আয়োজনে এ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে বৃহত্তর বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন বয়সের ১৩০ জন পেশাদার ও শৌখিন দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন। বরিশাল ম্যারাথনে চারটি ক্যাটাগরিতে হাফ ম্যারাথন (২১.১ কিলোমিটার), পাওয়ার রান (১০ কিলোমিটার), ড্রিম রান (৫ কিলোমিটার) ও চ্যারিটি রান (৩.৫ কিলোমিটার) প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এরমধ্যে সব ক্যাটাগরিতে ফিনিসারদের মেডেল দেওয়া হয়েছে এবং বড় দু’টি ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম তিনজনকে বিজয়ী ঘোষণা করে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। যেখানে হাফ ম্যারাথন ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন ওয়াশিউর রহামন, দ্বিতীয় হয়েছেন রানা রহমান ও তৃতীয় হয়েছেন শোভন মিত্র। অপরদিকে পাওয়ার রান ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন শেখ জহিরুল ইসলাম, দ্বিতীয় হয়েছেন ডাঃ প্রণব কুমার সাহা ও তৃতীয় হয়েছেন আব্দুল্লাহ সজল। সমাপনী অনুষ্ঠানে কসমিক কালচারের সাধারণ সম্পাদক যোয়েল কর্মকারের সার্বিক তত্বাবধায়নে সভাপতি ড. অনীশ মন্ডলের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ আরিফুর রহমান। ম্যারাথনে পৃষ্ঠপোষকতা করেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, অমৃত কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড এবং ডাটা ক্রাফট।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী ও দৌড় সম্পন্নকারীদের মধ্যে মেডেল বিতরণ করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল।
এর আগে সকালে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রতিযোগিতার উদ্বোধণ করেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম, কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোঃ নুরুল ইসলাম পিপিএম। পরে উদ্যান থেকে শুরু হওয়া দৌঁড় প্রতিযোগিতায় দৌড়বিদরা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক হয়ে লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি পর্যন্ত যান। সেখান থেকে আবার বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এসে প্রতিযোগিতা শেষ হয়।