বরিশালে অনুমোদনহীন এলপিজি স্টেশনে অবৈধ গ্যাস মজুদ ও বিক্রির অভিযোগ

বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে অনুমোদনহীন একটি এলপিজি স্টেশনে অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস মজুদ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালী থানা পুলিশ হাতেনাতে অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস মজুদ ও বিক্রির বিষয়টি হাতেনাতে ধরে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করছে।
কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম জানান, তুরাগ নামে একটি স্টেশনে অবৈধভাবে গ্যাস মজুদ ও বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাগজপত্র তলব করেছে। কাগজপত্র যাচাই করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, বরিশালের তুরাগ অয়েল এন্ড গ্যাস নামে একটি এলপিজি স্টেশনে কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী স্থাপনা নির্মান করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। জনবসতি থেকে নির্ধারিত দূরত্বে গ্যাস মজুদের ট্যাংকি স্থাপন করতে হবে। কিন্তু তারা অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ট্যাংকি স্থাপন না করায় তাদের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়নি। নকশা সংশোধন না করলে তাদের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে না। অবৈধভাবে গ্যাস মজুদ কিংবা বিক্রির অভিযোগ থাকলে স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি জানান।
এলাকাবাসী জানায়, বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে নগরীর রূপাতলী কাঠালতলা এলাকায় তুরাগ অয়েল গ্যাস নামে একটি এলপিজি স্টেশন নির্মান করছেন এক উদ্যোক্তা। কিন্তু বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থাপনা নির্মান না করায় শেষ পর্যন্ত অনুমোদন আটকে দেয় কর্তৃপক্ষ। অনুমতি না পাওয়ার পরও গত মঙ্গলবার এবং সব শেষ গত শুক্রবার গভীর রাতে অবৈধভাবে স্থাপন করা ট্যাংকিতে গ্যাস মজুদ (লোড) করে তারা। গোপন খবর পেয়ে সেখানে ঐ রাতেই অভিযান চালায় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান জানান, অবৈধভাবে গ্যাস মজুদ ও বিক্রির অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন তিনি।