বরিশালে কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে সাতদিন আটকে রেখে ধর্ষণ ॥ প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার-৩

বরিশালে কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে সাতদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। স্কুল ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণ করার অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
জেলার গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম ছরোয়ার জানান, কালকিনি উপজেলার মহরউদ্দিরচর গ্রামের ভিকটিমের (নির্যাতিতার) মা বাদি হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে শুক্রবার রাতে গৌরনদী থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলার প্রধান আসামি উজিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুর রহমান ওরফে পলাশ হাওলাদার (২৫), তার সহদর মিজানুর রহমান (২৩) ও বোনজামাতা মোবারক শিকদারকে (৩১) গ্রেফতার করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরিফুল ইসলাম এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, উজিরপুর উপজেলা সদরের মৃত শামচুল হক হাওলাদারের পুত্র আব্দুর রহমান ওরফে পলাশ হাওলাদারের সাথে গত ২ রমজান মোবাইল ফোনের রং নাম্বারে পরিচয়ের সূত্রধরে কালকিনি উপজেলার ঐ স্কুলছাত্রীর (১৩) পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিক পলাশ হাওলাদার তার প্রেমিকার সাথে দেখা করার জন্য গত ১২ জুন দুপুরে মোবাইল ফোনে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে ডেকে আনেন। ঐ দিন দুপুরে পলাশ হাওলাদারের নেতৃত্বে তার অপর সহযোগিরা জোরপূর্বক ঐ স্কুল ছাত্রীকে একটি ইজিবাইকে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর ঐ স্কুল ছাত্রীকে সাতদিন বিভিন্নস্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করে পলাশ। পরবর্তীতে ঐ স্কুল ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হয়ে থানা পুলিশ অপহৃতা স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। কিশোরীর দেয়া স্বীকারোক্তিমতে পুলিশ উল্লেখিত তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন।