বরিশালে লেবার সর্দারের হাতে ওএমএস’র ডিলার লাঞ্চিতের ঘটনায় দুই ঘন্টা বিলম্বে ওএমএস’র চাল বিক্রয় শুরু

বরিশালে খাদ্য বিভাগের লোবারের সর্দারের বিরুদ্ধে এক ওএমএস’র ডিলারকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। সহকর্মী লাঞ্চিত হওয়ায় অন্যান্য ডিলাররা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ঐ ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত ডিলাররা চাল বিক্রিতে অস্বীকৃতি জানান। মঙ্গলবার সকালে ওএমএস চাল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ হলেও প্রশাসনের বিচারের আশ্বাসে ফের ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রি শুরু করেন ডিলাররা। লেবার সর্দার অভিযোগ অস্বীকার করলেও কর্তৃপক্ষ ঐ ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নগরীর ভাটারখাল জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সংলগ্ন খাদ্য গুদামে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ডিলাররা জানান, ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে গতকাল সকালে খাদ্য গুদামে চাল উত্তোলন করতে যান তারা। এ সময় গুদামের লেবার সর্দার মো. আলমগীর সরকার নির্ধারিত প্রতিটন চাল খালাসে ৭৫ টাকার পরিবর্তে ৪শ’ টাকা করে দাবী করে। এ নিয়ে ডিলারদের সাথে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে লেবার সর্দার মো. আলমগীর ওএমএস ডিলার মো. মনির হোসেনকে লাঞ্চিত করে। তাৎক্ষনিক অন্যান্য ডিলারদের হস্তক্ষেপে রক্ষা পায় ডিরার মনির। সহকর্মী লাঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত লেবার সর্দারের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ডিলাররা চাল উত্তোলন এবং বিক্রি কার্যক্রমে বন্ধ করে দেন। তবে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া এবং এর প্রতিবাদ করায় ডিলার লাঞ্চিত করার কথা অস্বীকার করেন খাদ্য বিভাগের লেবার সর্দার মো. আলমগীর। এদিকে ডিলাররা চাল উত্তোলন ও ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ করলে প্রশাসন বেকায়দায় পরেন। পরে ঘটনা তদন্ত করে অভিযুক্তের বিচারের আশ্বাস দিলে বেলা ১২টার দিকে ওএমএসের চাল বিক্রি স্বাভাবিক হয়। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের অডিটর মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ডিলারদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছেন। এ ব্যাপারে তদন্ত করে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।