সাদা পোষাক রক্তে লাল করে দিয়েছিল আজ ইপিআর বাহিনীরা ।

বরিশালে ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে তৎকালীন ইপিআর বাহিনীর গুলিতে নিহত শহীদ আলাউদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে সোমবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ আলাউদ্দিন স্মৃতি সংসদ’র আহবায়ক খান আলতাফ হোসেন ভুলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আলাউদ্দিনের প্রতি স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন শহীদ আলাউদ্দিন স্মৃতি সংসদের সদস্য সচিব অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, এ্যাডভোকেট হিরন কুমার দাস মিঠু এ্যাডভোকেট একে আজাদ, বরিশাল জেলা বাসদ সদস্য সচিব ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী, বরিশাল শিক্ষাবোর্ড উপ-সচিব আবদুর রহমান, বরিশাল জেলা শহীদ আসাদ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতন চক্রবর্তী, শহীদ আলাউদ্দিনের ভাগ্নে সেলিম সিকদার, মুক্তিযোদ্ধা আঃ রসিদ খন্দকার, একে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, তৎকালীন স্বৈরাচারী আইয়ুব শাসনের বিরুদ্ধে ৭ ও ১১ দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের ছাত্র নেতারা। ১৪৪ধারা ভঙ্গ করে সদররোডে মিছিল বের করলে ইপিআর বাহিনীর গুলিতে বরিশাল একে স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র আলাউদ্দিন শহীদ হন।

এছাড়াও পটুয়াখালী পায়রা নদীর উপর নির্মাণাধীন লেবুখালী সেতুর নাম শহীদ আলাউদ্দিনের নামকরণের জোর দাবি জানায় বক্তারা।

এর আগে শহীদ আলাউদ্দিনের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বরিশাল শিক্ষাবোর্ড, একে স্কুলের শিক্ষার্থীবৃন্দ, আলাউদ্দিনের পরিবার ও কলাপাড়াবাসী, শহীদ আলাউদ্দিন স্মৃতি সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন।

শহীদ আলাউদ্দিন পটুয়াখালীর কলাপড়া উপজেলার হাজীপুর গ্রামের মন্তাজ মিয়া ও রাশিদা বেগম দম্পতির সন্তান ছিলেন । ১৯৬৯ সালে একে স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন শহীদ আলাউদ্দিন।