আগৈলঝাড়ায় শিকল দিয়ে বেধে রাখা যুবক ৫ দিন পর উদ্ধার : আটক-৩

আগৈলঝাড়ায় কিশোরীর সাথে বিয়েতে সম্মত না হওয়ায় এক যুবককে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ৫ দিন পর মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে। আটক করা হয়েছে নির্যাতিত যুবকের কথিত স্ত্রী সহ তিন জনকে।
উপজেলার বাশাইল গ্রামের সুমন মুন্সীর সাথে গোয়াইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সাথী রানীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। টানে ১৪ মে সন্ধ্যায় সুমনকে ফোন করে সাথীর বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে এলাকার লোকজন উপস্থিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে জোর করে সাথী ও সুমনের বিয়ে দেয়। ওই সময় বিয়েতে সুমনের আপত্তি থাকায় তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে ৫দিন আটকে রেখে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক নির্যাতন চালায় সাথীর পরিবার ও তার আত্মীয়স্বজন। পুলিশ এ সংবাদ জেনে মঙ্গলবার রাতে সুমনকে উদ্ধার করে। এসময় নির্যাতনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় সাথীর পিতা অমিয় মধু ও মামা লিটনকে আটক করে এসআই মনোরঞ্জন মিস্ত্রী থানায় নিয়ে আসে। একই সাথে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কথিত স্ত্রী সাথীকেও পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
গতকাল বুধবার বিকালে আটক তিন জনকেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে থানার ওসি জানিয়েছেন।