আর নয় আগোরা

রেশমা ইয়াসমিন ॥ রাম্বুটান থাইল্যান্ডের ফল। কাঁচা ফল সবুজ ও পাঁকলে গাড় লাল রঙ ধারণ করে। আকৃতি অনেকটা কদম ফুলের মতো। ফলের ভেতরের অংশটা সাদা  লিচুর মতো স্বাদ ও স্বাদে অতুলনীয়। এটি ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায়ও প্রচুর উৎপন্ন হয়। নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার হরিপুর গ্রামের বৃক্ষপ্রেমিক পল্লী চিকিৎসক  ওমসান গণির বাড়িতে আছে এই গাছ , এ বছর ফলও হয়েছে প্রচুর। ওসমান গণি জানান, মালয়েশিয়ায় থাকাকালে  দেখেছেন, সেখানে প্রচুর রাম্বুটান
হয়। খেতেও অপূর্ব । বাংলাদেশে আসার সময় মালয়েশিয়া থেকে দুই কেজি রাম্বুটান বাড়িতে নিয়ে আসেন। এর বীজ
থেকে দুটি চারাগাছ তিনি রোপন করেন। প্রায় ৬ বছর পর মার্চ মাসে প্রথম একটি গাছে রাম্বুটানের ফলন আসে। তখন
থেকেই প্রতি বছর মার্চ মাসে এ গাছ দুটির যেকোনো একটিতে ফল ধরছে। অপেক্ষাকৃত ছোট গাছটিতে এ বছর প্রচুর
রাম্বুটান ধরে। এ গাছ থেকে এ বছর তিনি প্রায় ৩০ কেজি রাম্বুটান সংগ্রহ করেছেন। গাছের পরিচর্যা সম্পর্কে ওসমান
গণি জানান, প্রতি বছর গাছে ফল ধরে চৈত্র মাসে। পাঁকে আষাঢ় মাসের শেষে।
পাকা ফল সংগ্রহ শেষ হলে বছরে একবার গাছের গোড়ায় ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি ও জৈব সার দিতে হয়। গাছে কোনো কীটনাশক দিতে হয়না। রাম্বুটানের চামড়া খুব মোটা ও তিতা হওয়ার কারণে এতে পোকামাকড় আক্রমণ করে না। ওসমান গণির রাম্বুটানের বীজ সংগ্রহ করে গ্রামের আরও কয়েকজন চারা রোপণ করলেও এখনও গাছে ফল ধরেনি।