ইউজিভি’র উপাচার্যকে নিয়ে অপপ্রচারে কর্তৃপক্ষের উদ্বেগ প্রকাশ

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে সম্মানিত গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, বিগত কয়েকদিন ধরে কয়েকটি পত্রিকায় ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি), বরিশাল এর সম্মানিত উপাচার্য ড. জাহাঙ্গীর আলম খান-এর উপর যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তীহীন। এটা উদ্দেশ্য প্রনোদিত এবং বিশ^বিদ্যালয়ের ভাবমূর্ত্তিকে দারুনভাবে বিঘিœত করেছে। উপাচার্য মহোদয়ের জন্য তা মানহানিকর। ইউজিভি’র সহ: জনসংযোগ কর্মকর্তা
মোঃ মেহেদী হাসান শুভ জানান, ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এর রয়েছে বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন, বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ে সুদীর্ঘ সময়ের শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন গবেষণা ও প্রশাসন পরিচালনার অভিজ্ঞতা। তিনি এদেশের একজন খ্যাতনামা কৃষি অর্থনীতিবিদ ও লেখক। শিক্ষাবিদ হিসেবেও তিনি প্রবীন। দেশ ও বিদেশে তার ১৫০টি’র অধিক গবেষণা নিবন্ধ ও বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির কৃষি উন্নয়ন পুরস্কার, বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার প্রদত্ত স্বর্ণপদক এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদালয়ের উপাচার্যের স্বর্ণপদক লাভ করেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এ সকল বিষয় বিবেচনা করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ অধ্যাপক ড. খানকে অত্র বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন।
এর আগে ড. খান এ বিশ^বিদ্যালয়ের প্রথম অধ্যাপক হিসাবে গত ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থনীতি বিভাগে যোগদান করেন। এপ্রিল মাসে তাকে ট্রাষ্টি বোর্ড কর্তৃক ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি ২০১৭ সালের ১৫ই জুলাই অনুষ্ঠিত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রথম অরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রম উদ্বোধন করেন। অত:পর বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি বোর্ড তাকে স্থায়ী নিয়োগ প্রদানের জন্য যথাযথভাবে সরকারের নিকট প্রস্তাব পেশ করেন। সরকার তার জীবন বৃত্তান্ত পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে নিয়োগের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রস্তাব পেশ করেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাতে সন্তুষ্ট হয়ে ড. খানকে নিয়োগের আদেশ প্রদান করেন। এক্ষেত্রে কোন অস্বচ্ছতা নেই বা কোন তথ্য গোপন করা হয়নি। এই প্রক্রিয়ায় কোন ভাবেই উপাচার্য মহোদয় সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। নিয়োগ প্রাপ্তির পর বিশ^বিদ্যালয়ের অনুরোধে তিনি যোগদান করেছেন এবং অদ্যাবধি অত্যান্ত সুষ্ঠুভাবে তার দায়িত্ব পালন করছেন। ড. খানের নেতৃত্বে এই বিশ^বিদ্যালয়টি খুবই সুনামের সঙ্গে এবং সফলভাবে শিক্ষাক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।