এলআইসিটি প্রজেক্টে যোগ দিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজের শিক্ষক আল আমিন

ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে ৩০ হাজার দক্ষ জনশক্তি তৈরির প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক ট্রেইনার, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যক্তি, আইটি ইন্ডাস্ট্রির স্বত্বাধিকারী এবং বাংলাদেশের সকল ইউনিভার্সিটির সমন্বয়ে ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করে এলআইসিটি নামক একটি প্রজেক্ট। বাংলাদেশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রনালয়ের সমন্বয়ে গঠিত প্রজেক্টটি তত্বাবধান করছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। প্রজেক্ট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক প্রফেশনাল সার্ভিস কোম্পানি আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং, ইন্ডিয়া।

টপআপ এবং এফএস নামক দুটি ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ৩০০ ও ১৬০ ঘন্টার ক্লাস করানো হয় শিক্ষার্থীদের। অংশগ্রহণকারীকে অবশ্যই গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করার পর ন্যাসকম পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা পাবে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র। পাশাপাশি প্রজেক্ট প্লান অনুযায়ী সফল শিক্ষর্থীদের জন্য করা হচ্ছে চাকরির সহযোগিতা।

বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজের আইসিটি শিক্ষক এবং নেক্সট বরিশাল সফটওয়্যার হাউজের স্বত্ত্বাধিকারি মো: আল-আমিন হোসেন সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ট্রেইনারদের পাশাপাশি বাংলাদেশী ট্রেইনার হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই প্রজেক্টে। টপআপ লেভেলে থাকা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ট্রেইনার হিসেবে তিনি এখন ক্লাস নিচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক এবং ডেস্কটপ আইটিতে।

এর আগে তিনি ওয়েব অ্যান্ড টিউটোরিয়াল ডেভেলপার এবং ট্রেইনার হিসেবে আল- হেরা মাল্টিমিডিয়া ও সাতরং সিস্টেমস এ কর্মরত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে ইতিমধ্যেই তিনি বরিশাল বিএম কলেজ, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিসহ দুই শতাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন।

মেট্রোপলিটন কলেজের আইসিটি শিক্ষক মো: আল-আমিন হোসেন একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে বরিশাল বিভাগের পরিচিত ব্যক্তি হওয়ার পাশাপাশি কলেজ আইসিটি শিক্ষক হিসেবেও সমাদৃত। কলেজ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ইনিস্টিটিউট এইচএসটিটিআই থেকে ৪৬ তম ব্যাজে প্রথম স্থান অধিকার করে আলোচিত হয়েছিলেন তিনি।