কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ও বেরিবাধ পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি

কুয়াকাটায় নানা উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনের এমপি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। শনিবার বিকেলে পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ও বেরিবাধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কুয়াকাটা ও কক্সবাজারে সরকারের একটি প্লান রয়েছে। সেই প্লান কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেলক্ষে ২ বছর আগে মন্ত্রনালয়ের সচিব ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক নেদারল্যান্ডে গিয়েছিলো। নেদারল্যান্ড তাদের সী-বিচগুলো তীর রক্ষা করে যেভাবে তাদের জনগনের জন্য তৈরি করেছে, সেই প্রক্রিয়াটি দেখে এসেছেন তারা। বাংলাদেশে এসে সেই অনুযায়ী সমীক্ষা শেষ করা হয়েছে। এখন ডিপিপি প্রণয়ন হয়ে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে সেখান থেকে একনেকে যাবে। কক্সবাজার এবং কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সী-বিচ করার প্লান আমাদের রয়েছে।
এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সমুপ্রতীর রক্ষায় এখানে (কুয়াকাটায়) একটা প্রকল্প চলমান রয়েছে। সেক্ষেত্রে ছোট খাটো ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হয়েছে, তবে স্থায়ী সমাধান নয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ চলমান রয়েছে। এসময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সমুদ্র তীর রক্ষায় কুয়াকাটায় কিছু জিও টিউব দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু সেই জিও টিউবগুলোতে দর্শনার্থীরা এসে বসেন এবং নানানভাবে ব্যবহার করে কেটে ফেলেন। যতদিন জিও টিউবগুলো ঠিক ছিলো, ততদিন তীর ভাঙ্গেনি কিন্তু ছিদ্র হয়ে টিউবের ভেতরের বালু পরে যাওয়ার পর থেকে তীর আবার ভাঙ্গছে। সাধারণ জনগনেরও কিন্তু একটা দায়িত্ব আছে, শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করলেই হবে না। গোটা বাংলাদেশকে সরকারের পক্ষে সুরক্ষিত রাখা জন্য জনগন সরকারের সাথে একসাথে মিলে কাজ করতে হবে। এভাবেই স্থায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা সৈকতকে রক্ষা করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের ভেতরে আমরা সমৃদ্ধশালী দেশ হবো। কিন্তু করোনার কারনে আমাদের অগ্রযাত্রা একটু ব্যহত হয়েছে। তারপরও আমরা ও সরকার ঘাবড়ে না গিয়ে আবার ঘুরে দাড়িয়েছি এবং ২০৪১ সালের ভেতরে সমৃদ্ধশালী দেশ হওয়ার লক্ষ্যে পৌছাবো ইনশ্আল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে কক্সবাজার এবং কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের করার। তাই যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। কারণ আন্তর্জাতিক মানের হলে দেশের মান-সন্মান বৃদ্ধি পাবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়ার সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান, কুয়াকাটা পৌর মেয়র বারেক ঢ়ালী, আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন, শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা বৃন্দরা।