জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে সিদ্ধ চাল পাচ্ছেন ডিলাররা

রাসেল সিকদার ॥
রবিবার ডিলাররা নিজেদের অনিচ্ছায় এবং খাদ্য বিভাগের নির্দেশে ওএমএস এর জন্য চাল তুললেও সে চালের বেশির ভাগ অবিক্রিত থেকে গেছে। বিক্রেতারা জানান,৬ জন ডিলার প্রত্যেকে ১ হাজার কেজি করে চাল নিতে বাধ্য হয়েছেন। এর মধ্যে সোমবার ৬ হাজার কেজির মধ্যে বিক্রি হয় মাত্র ২২০ কেজি চাল। ৬ জন ডিলারের মধ্যে ঐ সময় পর্যন্ত ২ জন ডিলার কোন চাল বিক্রি করতে পারেননি। ক্রেতারা জানন,আতপ চাল খেতে অভ্যস্ত নয় তারা। এ কারণে সিদ্ধ চাল বরাদ্দ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানিয়েছেন ক্রেতারা। গতকাল থেকে সরকারের নির্দেশ অনুসারে ওএমএস এ চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। বরিশালে মোট ২১ জন ডিলার আছেন। ৭ জনকে রোটেশন আকারে ৭ হাজার কেজি চাল বিক্রি করার কথা।
আতপ চাল নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক জানান, বরিশালের মানুষ আতপ চাল খেতে অভ্যস্ত নয়। তাই আজ (মঙ্গলবার) থেকে সাধারন মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সিদ্ধচাল বিক্রির উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, এবার ওএমএস কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য ৬ জন ডিলারের বিপরীতে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একজন করে কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। এসব কর্মকর্তারা ডিলারদের ওএমএস’র দিনের শুরু ও শেষ রেজিস্ট্রারে বাস্তব মজুদ লিপিবদ্ধ করন, সঠিক দাম তথা ৩০ টাকা দরে বিক্রি, সঠিক ওজন ও প্রতি জন ৫ কেজি করে পাচ্ছেন কি না তা মনিটরিং করবে।