ঢাকা-বরিশাল নৌ-রুট সুন্দর ও স্বস্তিদায়ক করতে আমরা কাজ শুরু করেছি বলে জানান নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা-বরিশাল নৌ পথে যে সমস্যাগুলো রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এই রুটে যাত্রা যাতে নিরাপদ, সুন্দর ও স্বস্তিদায়ক করা যায় সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। এই নৌ রুটের সমস্যা অতিদ্রুত সমাধান করা হবে। শনিবার দুপুরে বরিশাল নদী বন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকা-বরিশাল নৌপথে কিছু ডুবোচর রয়েছে, যার ড্রেজিং কাজ অল্প কিছু দিনের মধ্যে শুরু হবে। কিছু সমস্যাও আছে। যেমন অনেকেই মনে করেন ড্রেজিং এর কারণে নদী ভাঙ্গন হয়, আর এই কারণে জনপ্রতিনিধিসহ অনেকেই বাঁধা দেয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে নাব্যতা ঠিক রাখতে হলে ড্রেজিং করতে হবে। নৌ পথ সুগম করতে হলে সবাইকে সহযোগীতা করতে হবে। নদীর বালু কেটে নদীতে ফেলার বিষয়ে তিনি বলেন, ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর ক্ষেত্রে কাটা বালু ফেলার বিষয়টি আলাদা। তবে আগে আমাদের ক্যাপাসিটি কম ছিলো, এখন আমরা ১০ কিলোমিটার দূরেও ড্রেজারে বালু কেটে ফেলতে পারবো। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহি বরিশালে ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। আর সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই বরিশাল নদী বন্দরকে সুন্দর ও আধুনিক করতে কাজ শুরু হবে অল্পদিনের মধ্যেই। এসময় মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের পরিচালক মো. শাহজাহান, নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক ও নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার প্রমূখ। এরআগে মন্ত্রী শনিবার সকালে নারায়নগঞ্জ থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র দুরন্ত জাহাজ যোগে নদীপথে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। তিনি নারায়নগঞ্জ থেকে চাঁদপুর, মিয়ারচর, কালিগঞ্জ, চরশিবলি ও চরমোনাই হয়ে বেলা ৩টায় বরিশাল নদী বন্দরে এসে পৌছান। নদী পথে তিনি বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেন। নদী বন্দর পরিদর্শন শেষে তিনি বন্দর ভবনের উত্তর প্রান্তে গাছের চারা রোপন করেন।