নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অভয়াশ্রমে মাছ শিকারের দায়ে ৪ জনের কারাদন্ড

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ শিকারের দায়ে চারজনকে এক বছর করে বিনাশ্রম করাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযানে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল জলিল খান (৫৫), সুজন (২১), ফারুক চকিদার (৫২) ও বরিশাল সদর উপজেলার খলিল হাওলাদার (১৯)। সোমবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বরিশাল সদর উপজেলার কীর্তনখোলা এবং মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার কালাবদর ও বাগরজা নদীতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস। তিনি জানান, জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে আটককৃতদের জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতাউর রাব্বী এবং অং মাচিং মারমা কারাদন্ড প্রদান করেন। বিমল চন্দ্র দাস আরও জানান, আগামী ৩০ এপ্রিল অর্থাৎ দুই মাস অভয়াশ্রমগুলোতে যে কোন ধরণের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করলে শাস্তি প্রদান করা হবে।
প্রসঙ্গত, বরিশাল জেলার কীর্তনখোলা নদীর জুনাহার পয়েন্ট থেকে হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীর কালীগঞ্জ এবং মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ৮২ কিলোমিটার অভয়াশ্রমে সকল ধরনের মৎস্য আহরনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। মূলত ইলিশসহ দেশীয় প্রজাতির মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে।