বরিশালের চায়ের দোকান বন্ধে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, বিপণিবিতান, নৌ ও রেল যোগাযোগ এবং গণপরিবহন। জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে জানানো হয়, শনিবার থেকে বরিশাল জেলার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী সন্ধ্যার পর থেকে বরিশালে ওষুধ ও জরুরি পণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের মার্কেট বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ রোধে জেলার সব চায়ের দোকান স্থায়ী ভাবে বন্ধ থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি।
শুক্রবার বরিশাল জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি প্রদত্ত নির্দেশনাবলী মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক। গণবিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, সব প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, মুদি দোকান খোলা থাকবে। এছাড়া সব গার্মেন্টস ও অন্যান্য শিল্প-কারখানা নিজস্ব উদ্যোগে কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে। চালু রাখার জন্য যেকোনো ধরনের সহযোগিতাও দেওয়া হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করবে ও বন্দরের কার্যক্রম চালু থাকবে। ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান যেমন গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক প্রভৃতির কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এ আদেশ মেনে চলতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান।