বরিশালের হাসপাতালগুলোতে কমেছে রোগীর সংখ্যা

বরিশালের প্রধান দুটি হাসপাতালে করোনা ইউনিট থাকার কারনে সাধারণ রোগীর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এতেকরে ভয়ের কারনে রোগীরা সাধারণ চিকিৎসা নিতে আসছেনা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে। এছাড়া জেলার নয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও কমেছে রোগীর সংখ্যা। বরিশালের বেশিরভাগ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনেষ্টিক সেন্টারেও দেখাযাচ্ছে না ডাক্তারদের। আবার কোথাও কোথাও ডাক্তার আছে রোগী নেই। তবে রোগীর ও স্বজনদের অভিযোগ হাসপাতালে গিয়ে ঠিকমত ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মো. বাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা খুবই আন্তরিক, তারা সবসময় হাসপাতালে অবস্থান করছেন এবং রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষ সরকারি নির্দেশনা মেনে নিজ ঘরে অবস্থান করায় এবং যানবাহন সংকটের কারণে হাসপাতালে রোগীদের আসার পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তিনি আরও বলেন, যাদের আসার প্রয়োজন তারা যেকোন উপায়েই আসছেন এবং আমরা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
শেবাচিম হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের ছাড়পত্র দেয়া হত। তবে গত ১৬ মার্চের পর থেকে করোনা আতঙ্কে বেশিরভাগ রোগীই ছাড়পত্র না নিয়ে নিজ ইচ্ছায় হাসপাতাল ত্যাগ করছেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, যেখানে আগে গড়ে প্রতিদিন সাড়ে তিন থেকে চারশ’ রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি হতেন, সেখানে এখন এক থেকে দেড়শ’ রোগী ভর্তি হন। আবার বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারগুলোতেও আগের মতো দীর্ঘলাইন হয় না। একইভাবে জেলার নয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও এখন আর আগের মতো রোগী ভর্তি নেই। ডাক্তারদের আভিযোগ করোনার আতংকে একান্ত বাধ্য না হলে কোন রোগীর হাসপাতালে আসছেন না।