বরিশালে দুই সাংবাদিককে লাঠিপেটার ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য ক্লোজড

করোনা সংক্রমন এরাতে সরকারি প্রচার-প্রচারণার ছবি তুলতে গিয়ে স্থানীয় পত্রিকার দুইজন ফটো সাংবাদিককে পেটানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁড়ির তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার। তিনি জানান, ওই তিন পুলিশ সদস্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁড়ির দায়িত্বে ছিলো। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর তাদেরকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। ক্লোজডকৃতরা হলেন নায়েক মহসিন, কনেস্টবল কাওসার হোসেন এবং জাহিদুল ইসলাম।
সূত্রমতে, শুক্রবার বিকেলে নগরীর দপদপিয়া সেতুর ঢালে বরিশাল সদর উপজেলা ইউএনও মোশারফ হোসেনের সামনে দুইজন ফটো সাংবাদিককে বেধড়ক লাঠিপেঠা করে পুলিশের একাধিক সদস্যরা। আহত সাংবাদকর্মীরা একাধিকবার তাদের আইডিকার্ড ও সাথে ক্যামেরা দেখালেও নিস্তার মেলেনি পুলিশের লাঠিপেটা থেকে। আহতরা হলেন, বরিশালের স্থানীয় আঞ্চলিক দৈনিক দেশ জনপদ পত্রিকার ফটোসাংবাদিক সাফিন আহমেদ রাতুল ও দৈনিক দখিনের মুখ পত্রিকার ফটো সাংবাদিক নাছির উদ্দিন। সূত্রে আরও জানা গেছে, যেখানে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে কার্ড ব্যবহার করার কথা বলেছেন সেখানে কার্ড থাকা সত্বেও কেন তাদের লাঠিপেঠা করা হলো জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, ব্যাপারটি আমি খেয়াল করিনি। তবে এ ধরনের অনাকাক্ষিত ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত। পরবর্তী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুধু সাংবাদিকদের নয়, কাউকে যেন লাঠিপেটা না করে সে বিষয়ে আগেই তাদের সতর্ক করা হবে।