বরিশালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪, আহত ১০

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এবং বাকেরগঞ্জে বাস দুর্ঘটনায় এক যাত্রী নিহত ও প্রায় ১০ জন আহত হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে মুলাদী-মীরগঞ্জ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, মুলাদী উপজেলার কাজীরচর ইউনিয়নের বড়ইয়া এলাকার মৃত খালেক হাওলাদারের ছেলে ইদ্রিস হাওলাদার (৬০), কালাই নলীর ছেলে হারুন নলী (৪৫) ও মোনসেফ নলীর ছেলে রাজিব নলী (২৩)। রাজিবের স্বজনরা জানান, রাজিব ওমান প্রবাসী। এক মাস আগে ওমান থেকে বাড়িতে আসেন রাজিব। সকালে রাজিব বিয়ে করার জন্য ঘটক ইদ্রিস হাওলাদার ও তার চাচা হারুন নলীকে নিয়ে মেয়ে দেখতে বের হন। মেয়ে দেখে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাকসুদুর রহমান প্রতক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, ওই ৩ ব্যক্তি দুপুর ১২টার দিকে মুলাদী শহর থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন রাজিব নলী। মুলাদী সদর ইউনিয়নের কাজীরহাট ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকা অতিক্রমকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জনের মৃত্যু হয়। মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাকসুদুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেলের গতি অনেক বেশি ছিল। এ কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। নিহত ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অপরদিকে বাউফল থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাস বাকেরগঞ্জের বটতলা এলাকা অতিক্রমকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঐ বাসের সামনের অংশ ধুমড়ে মুচড়ে যায়। আহত হয় ১০ যাত্রী। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করে। এদের মধ্যে রন (৪৫) নামে এক আহত যাত্রীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করে। আহত অপর ৬ শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকেরগঞ্জ থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন। তিনি আরো বলেন ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পালিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।