বরিশালে লকডাউন কার্র্যকরে কঠোর অবস্থানে বিএমপি পুলিশ

দেশব্যাপী চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের সপ্তম দিনে বরিশল নগরীতে লকডাউন কার্যকরে কঠোর ভাবে মাঠে নেমেছে পুলিশ। সরকারি বিধি নিষেধ সর্বাত্মকভাবে পালনে বাধ্য করতে নগরীর প্রধান সড়ক গুলোতে ও মোড়ে মোড়ে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেখা গেছে। মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে বরিশাল নগরীর প্রবেশদ্বার রুপাতলী বাস টার্মিনাল ও নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট, কালিজিরা বাজার, গড়িয়ারপার এবং রহমতপুর এলাকার রামপট্টি, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের কঠোর তল্লাশি ও যানবাহন চলাচলে নজরদারি থাকায় বরিশাল নগরীর সড়কগুলো জনশূন্য হয়ে পরে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হলেই পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। রাস্তায় পুলিশের টহল গাড়ি, পণ্যবাহী ট্রাক, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেটকার, রিকশা, মোটরসাইকলসহ জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহন ছাড়া তেমন বড় কোন যানবাহন দেখা যায়নি। এসময় উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. জাকির হোসেন মজুমদার জানান, মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকার জনসাধারনকে রক্ষায় কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছে। এ লকডাউন কার্যকর করতে আমরা জিরো টলারেন্স আছি। আমরা লক্ষ্য করছি যে মানুষ বিভিন্ন অযুহাতে ঘরের বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করছে তাই আমাদের চেকপোষ্ট গুলোতে তারা আটকা পরছে। তারা অযুহাত দেখিয়েও এক যায়গা থেকে অন্য যায়াগায় যেতে পারছেনা। তবে সরকার ঘোষিত জরুরী সেবাগুলোতে আমরা বাধা দিচ্ছিনা। অপ্রয়োজনে কেউ বাইরে বের হলে তাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ট্রাফিক পুলিশের টি আই আ. রহিম, সার্জেন্ট জাকির, সার্জেন্ট ইমরান সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। এদিকে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি বিবেচনায় চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ বা সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। মঙ্গলবার এ বিষয়ক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বা লকডাউন বহাল থাকবে।