বরিশালে সাতজনের করোনা শনাক্ত । আক্রান্ত – ৩১

গত ২৪ ঘন্টায় বরিশালে আরও সাত জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩১ জনে। মঙ্গলবার বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়লোজি বিভাগে স্থাপিত আরটি-পিসিআর ল্যাবে সাতজনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজেটিভ আসে।
জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই সাতজন ব্যক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাদের লকডাউন করা হয়েছে, পাশাপাশি তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে।
নতুন করে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন-বাবুগঞ্জের বাসিন্দা দুইজন। তাদের মধ্য একজন নারী (৩৬) ও একজন পুরুষ (২৬), বানারীপাড়ার বাসিন্দা দুইজন। তাদের মধ্য একজন নারী (১৭) ও একজন পুরুষ (৪০), উজিরপুরের একজন পুরুষ (৩৮), বরিশাল মহানগরীর একজন পুরুষ (৩৯) এবং হিজলার একজন পুরুষ (৬৫)। নতুন করে বানারীপাড়া এবং উজিরপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
সূত্রমতে, জেলায় করোনা আক্রান্ত উপজেলা সমূহ হল বাবুগঞ্জে ১০জন, নগরীকে নয়জন, মুলাদীকে একজন, হিজলায় দুইজন, আগৈলঝাড়া একজন, গৌরনদীতে দুইজন, উজিরপুরে একজন, বানারীপাড়ায় দুইজন, মেহেন্দীগঞ্জে দুইজন এবং বাকেরগঞ্জে একজন। উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল জেলায় প্রথমবারের মতো দুইজন রোগীর করোনা শনাক্ত হয়।
অপরদিকে বিভাগে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়া পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি থেকে এ্যাম্বুলেন্সযোগে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হন পুলিশের ওই সাব ইন্সপেক্টর। তিনি অতিসম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ থেকে ঝালকাঠিতে আসেন। তিনি সেখানকার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
দেশে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তিনি ঝালকাঠি শহরতলীর নতুন এলাকার নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআর-এ প্রেরণ করেন। সেখান থেকে ঝালকাঠি জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেরণ করা রিপোর্টে ওই পুলিশ অফিসারের কোভিড-১৯ পজেটিভ আসে। এরপর পরই তার বাড়িসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি বসতবাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে জেলা পুলিশ।