বাকেরগঞ্জের রাঙ্গামাটি নদীর উপর নির্মাণাধীন গোমা সেতুর উচ্চতা জটিলতার অবসান, নির্মাণ কাজে আর কোনো বাধা নেই

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি।। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় রাঙ্গামাটি নদীতে গোমা সেতু নির্মাণে উচ্চতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে। নির্মাণ কাজে আর কোনো বাধা নেই। আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্টিলের পাত ব্যবহার করে সেতুর উচ্চতা বাড়ানো হবে। এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে সেতুর উচ্চতা নিয়ে আপত্তি দেওয়া প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিএ)। ফলে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করতে আর কোনো বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার সড়ক ও জনপথ বিভাগের বরিশালের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মো. তারেক ইকবাল সাংবাদিকদের জানান , এক মাস আগে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় গোমা সেতুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে স্টিলের পাত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। এ সিদ্ধান্ত বিআইডব্লিউটিএ এবং সওজকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর সম্মতিপত্র গত মঙ্গলবার তিনি পেয়েছেন। উচ্চতা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে সর্বশেষ গত ২ জানুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল গোমা সেতুর নির্মাণস্থল পরিদর্শন করে। তখন তারা প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেতুর গার্ডার নির্মাণে কংক্রিটের বদলে স্টিলের পাত ব্যবহার করলে যে উচ্চতা বাড়বে, তাতে অনায়াসে নৌযান চলাচল করতে পারবে। এতে নির্মাণ প্রায় সম্পন্ন হওয়া সেতুটির পিলারগুলো ভাঙতে হবে না। তিনি আরও জানান, পিলারগুলোর সংযোগ গার্ডার কংক্রিট দিয়ে নির্মিত হলে নদীতে সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় সেতুর উচ্চতা হবে ৭ দশমিক ৮৬ মিটার। এর বিপরীতে স্টিলের গার্ডার স্থাপিত হলে আরও দেড় মিটার বেড়ে সেতুর উচ্চতা দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৩০ মিটার।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে গোমা পয়েন্ট ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।