‘মোরা’ প্রভাবহীন বরিশালে

ঘূর্নিঝর ‘মোরা’ নিয়ে বরিশালবাসীর মনে যে ধরনের আতঙ্ক ছিল সেরকমের কোন প্রভাবই পরেনি এ ঝড়ের। গুড়ি বৃষ্টি আর হালকা বাতাস ছাড়া কিছুই ছিল না বরিশালে। বরিশাল আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন- বলা যায় মোটামুটি বরিশাল এ ঝড় থেকে প্রভাবহীন ছিল।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মিলন হাওলাদার জানান, ঘূর্নিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করায় আবহাওয়া এখন প্রায় স্বাভাবিক রয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে দমকা হাওয়া এবং ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এদিকে দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় নদী বন্দরে ২নং সতর্ক সংকেত এবং সমুদ্র বন্দরে ৩নং সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মিলন হাওলাদার জানিয়েছেন- সোমবার দুপুর ১২টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ২৯ দশমিক ০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বরিশালে এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ২৫ কিলোমিটার।
তিনি বলেন- মানুষ এ ঝড়ের কারণে যেমন আতঙ্কগ্রস্থ ছিল, আসলে তেমন কোন প্রভাবই ছিল না বরিশালে। ঘূর্নিঝড় প্রস্তুত কর্মসূচী বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ পরিচালক আব্দুর রশীদ বলেন- বরিশালের অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৩০ হাজারের বেশী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের সকল দিক দিয়ে খেয়াল রাখা হচ্ছে। এছাড়া ঘূর্নিঝড় মোকাবেলায় ঘূর্নিঝড় প্রস্তুত কর্মসূচীর বরিশাল অঞ্চলে ৬ হাজার ১’শ ৫০জন স্বেচ্ছাসেবক আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। যারা সব জায়গায় সচেতনমূলক বার্তা পৌছাতে কাজ করেছে। বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৩৬টি আশ্রয় কেন্দ্র এবং ১০২ টি মেডিকেল টিম খোলা হয়েছে।