শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি)

দেশি-বিদেশী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি)’ বরিশাল। অত্র বিশ^বিদ্যালয় বিগত ২০১৬ সালের ৭ই জুন সরকার কর্তৃক বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় অনুমোদন লাভের পর ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার জন্য অনুমতি পায়। বিশ্ববিদ্যালটিতে বর্তমানে আট সেমিস্টারে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ ,বিভিন্ন বিভাগে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকসহ প্রায় পঞ্চাশের অধিক পূর্ণকালীন শিক্ষক এবং প্রায় পঞ্চাশ জন যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছে। এছাড়াও দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ (চেয়ারম্যান, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বুয়েট), এম. এ নিউটন হাকিম (গবেষক, গ্রিফিত ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া) এবং অধ্যাপক ড. অম্লান চক্রবর্তী (প্রফেসর ও ডিরেক্টর, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়) অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োজিত রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ সফটওয়্যারাইজড ও অটোমেশন পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন দেশের বিদেশী শিক্ষার্থীরা অধ্যায়ন করছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি কো-কারিকুলাম এ্যকটিভিটিস হিসেবে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, প্রোগ্রামিং ক্লাব, রোবটিক্স ক্লাব, ইংলিশ ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, এস্ট্রোনমি ক্লাব ও ব্লাড ডোনেশন ক্লাব ইত্যাদি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রথম সেমিস্টারে সন্তোষজনক ফলাফলের জন্যে ১ম ও ২য় ব্যাচের ১২ জন শিক্ষার্থীকে যথাক্রমে থাইল্যান্ডের দি চেম্বার অব কমার্স ইউনিভার্সিটি ও সিয়াম ইউনিভার্সিটি এবং ভারতের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ দিনের স্ট্যাডি ট্যুরে প্রেরণ করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটির নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন বিভাগের ৩০জন শিক্ষার্থীকে দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার ও ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ইতিমধ্যেই সফলভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। যারা প্রত্যেকে অনলাইনে আয় শুরু করেছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় দিবসসমূহ, সামাজিক কর্মকান্ড ও জন সচেতনতামূলক কার্যক্রম যেমনÑ ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ক্যারিয়ার কনফারেন্সসহ সরকার ও ইউজিসি কর্তৃক নির্দেশিত সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।