হিজলায় পরগনা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বৈধ করনের পায়তারা

হিজলা প্রতিনিধি ॥ ছাত্র নেই, ছাত্রী নেই, বিদ্যালয়ের নামে জমি নেই, নেই বিদ্যালয়ের ঘর। এ আবার কেমন বিদ্যালয়। এ ঘটনা ঘটেছে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ীয়া ইউনিয়নের  ঘোষেরচর গ্রামের পরগনা নামন একটি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়টিকে বৈধ করনের জন্য একটি প্রভাবশালী মহল উঠেপরে লেগেছে। বিদ্যালয়টি সরকারী করনের জন্য বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগের নামে বানিজ্য চালাচ্ছে। যেখানে ছাত্র-ছাত্রী নেই, বিদ্যালয়ের কোন জমি নেই, নিজস্ব ভবন নেই, নেই কোন শিক্ষক শিক্ষকা। তবু সরকারী ঘোষনা মোতাবেক ওই বিদ্যালয়টি বৈধ করনের জন্য স্থানীয় জনৈক প্রভাবশালী ব্যাক্তি মোছলেম মল্লিক উপজেলা  শিক্ষা অফিস থেকে শুরু করে বরিশাল শিক্ষা অফিসের ডিপিও কে ম্যানেজ করে পিছনের তারিখ বসিয়ে সমস্ত কাগজ পত্র তৈরী করার জন্য পায়তারা চালাচ্ছে। গুধু তাই নয়? বর্তমান মোসলেম মল্লিক বিদ্যালয়ের কাগজ পত্র বৈধ করার জন্য শিক্ষক নিয়োগের নামে তাদের নিকট হইতে হতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এব্যপারে স্থানীয় সংবাদ কর্মীর এলাকায়া সরজমিনে গেলে পরগনা নামে এলাকা পেলেও কোন বিদ্যালয়ের অস্থিত খুজে পাওয়া যায়নি।

তখন এলাকার জনগনের সাথে আলাপ কালে তারা জানান প্রায়২৫/৩০ বছর আগে ঘোষেরচর  গ্রামের শামছুল হক বেপারী পরগনা নামক একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় তার বাড়ির দরজায় নিজস্ব জমিতে স্থাপন করেন এবং বিদ্যালয়টি নিন্ধনের জন্য শিক্ষা অফিসে আবেদন করলে শিক্ষা অফিস বিদ্যালয় নামে বিভিন্ন কাগজ পত্র জমা দিতে বললে শামছুল হক বেপারী প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দিতে ব্যর্থ হন। তখন ৮/১০ বছর পর্যন্ত ৪ জন শিক্ষক ছাত্র-ছত্রীদের কে বিনাবেতনে পাঠদান করিয়ে বিদ্যালয়টি নিবন্ধন করাতে ব্যথ হলে এক পর্যায় বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে যেই যায়গায় বিদ্যালয়টি ছিল সে খানে দেখা গেছে বড় বড় মেহগনি, রেনন্টি গাছের বাগান। মোসলেম মল্লিক ঐ বিদ্যালটির নাম পুজি করে মাউলতলা গ্রামে মাউলতলা মাদ্রাসার মাসজিদের পুরাতন টিনসেট ঘর ক্রয়করে ওই বিদ্যালয়ের নামে চালু করার পায়তারা চালাচ্ছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। তাই এলাকার সাধারণ জনগনের দাবী সরকারী বিধিমোতাবেক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাচাই ও বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের  দাবী জানান, এব্যাপারে মোছলেম মল্লিকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান বিদ্যালয়ে সর্ম্পকে সবকিছু বিদ্যালয়ের সভাপতি জানেন বলে মোবাইলের সংযোগ কেটে দেন। সভাপতি সিরাজ বেপারীর সাথে আলাপ কালে  তিনি বলেন  উল্টো কথা। তিনি জানান  বিদ্যালয় নির্মান, শিক্ষক নিয়োগও টাকা উত্তোলন সহ সকল কিছু মোসলেম মল্লিকের নির্দেশেই হয়েছে। তাছাড়া বিদ্যালয়  শিক্ষক পদে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা সবাই আমার আত্মীয় স্বজন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউল্লাহ জানান তিনি নতুন হিসেবে  হিজলায় যোগদান  করেছি। আমার বিদ্যালয়টির বিষয় কিছু জানানাই। তবে যদি কেউ বিদ্যালয়ের পক্ষে তার নিকট অভিযোগকরেন তাহলে তিনি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।